স্পষ্টতঃ রাজি হলাম না। কারণ এক, ঘর-ভর্তি শিল্পবিষয়ক বই থাকা সত্ত্বেও আমি ললিতমোহন সেনের সম্পর্কে বিশেষ কিছু জানতাম না এবং সেটি আমার কাছে লজ্জাজনকও বটে। দুই, বিশেষ শিল্পকলা সংখ্যার মাত্র দুটি ছবি ছেপে আমরা বিস্মৃতপ্রায় শিল্পীর বিশেষ কিছু করতে পারবো না। তখন থেকে মনে ইচ্ছা যদি একটি বড় কাজ করা সম্ভব হয় ললিতমোহন সেনের উপর।
...আমরা এই ক্রোড়পত্রে চেষ্টা করেছি ললিতমোহন সেনের কাজের ব্যাপ্তীকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে তুলনামূলক আলোচনা করবার। যাতে তাঁর কাজের একটি মূল্যায়ন-চিত্র পাঠকদের উপহার দেওয়া সম্ভব হয়। চিত্রশিল্পী ও গবেষক সুশোভন অধিকারী একটি 'কুইক স্কেচ' করেছেন তাঁর নিবন্ধে। যেটি পড়ে ললিতমোহন সেনের উপর একটি প্রাথমিক ধারনা পাবেন পাঠকেরা। ললিতমোহনের শিল্প-জীবন নিয়ে পূর্ণাঙ্গ আলোচনা করেছেন ড. স্বাতী ভট্টাচার্য, মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন। প্রাবন্ধিক শান্তি নাথ দেখিয়েছেন কিভাবে ললিতমোহনের ছবি গড়ে ওঠে। তারই মনস্তাত্ত্বিক রূপকে বুদ্ধি ও যুক্তি সহযোগে ধরেছেন তাঁর নিবন্ধে। সুবিমলেন্দুবিকাশ সিনহা একজন ম্যুরাল বিশেষজ্ঞ। ওনার কাছে আবেদন ছিলো ম্যুরাল সম্পর্কে প্রাথমিক ধারনা এবং লন্ডনস্থ ইন্ডিয়া হাউসে ললিতমোহনকৃত ম্যুরাল দুটির আলোচনা, যাতে সাধারণ পাঠকদের বুঝতে সুবিধা হয়। উনি আবদার মিটিয়েছেন আর সেই সঙ্গে অপর তিন শিল্পীদের কাজ নিয়ে আলোচনা করে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রবন্ধের চরিত্র বজায় রেখেছেন।
প্রসঙ্গত জানাই যে, প্রাবন্ধিকরা সামান্য রসদের (source material) উপর নির্ভর করে অমূল্য সময় নষ্ট করে দীর্ঘ শ্রমসাধ্য প্রবন্ধ উপহার দিয়ে পত্রিকার গুণগত মান বাড়িয়েছেন। পাছে 'ধন্যবাদ জানাই' শব্দটিই ওনাদের প্রতি অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সেই আশংকায় তার থেকে বিরত থাকা শ্রেয় মনে করলাম।
...আমরা এই ক্রোড়পত্রে চেষ্টা করেছি ললিতমোহন সেনের কাজের ব্যাপ্তীকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে তুলনামূলক আলোচনা করবার। যাতে তাঁর কাজের একটি মূল্যায়ন-চিত্র পাঠকদের উপহার দেওয়া সম্ভব হয়। চিত্রশিল্পী ও গবেষক সুশোভন অধিকারী একটি 'কুইক স্কেচ' করেছেন তাঁর নিবন্ধে। যেটি পড়ে ললিতমোহন সেনের উপর একটি প্রাথমিক ধারনা পাবেন পাঠকেরা। ললিতমোহনের শিল্প-জীবন নিয়ে পূর্ণাঙ্গ আলোচনা করেছেন ড. স্বাতী ভট্টাচার্য, মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন। প্রাবন্ধিক শান্তি নাথ দেখিয়েছেন কিভাবে ললিতমোহনের ছবি গড়ে ওঠে। তারই মনস্তাত্ত্বিক রূপকে বুদ্ধি ও যুক্তি সহযোগে ধরেছেন তাঁর নিবন্ধে। সুবিমলেন্দুবিকাশ সিনহা একজন ম্যুরাল বিশেষজ্ঞ। ওনার কাছে আবেদন ছিলো ম্যুরাল সম্পর্কে প্রাথমিক ধারনা এবং লন্ডনস্থ ইন্ডিয়া হাউসে ললিতমোহনকৃত ম্যুরাল দুটির আলোচনা, যাতে সাধারণ পাঠকদের বুঝতে সুবিধা হয়। উনি আবদার মিটিয়েছেন আর সেই সঙ্গে অপর তিন শিল্পীদের কাজ নিয়ে আলোচনা করে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রবন্ধের চরিত্র বজায় রেখেছেন।
প্রসঙ্গত জানাই যে, প্রাবন্ধিকরা সামান্য রসদের (source material) উপর নির্ভর করে অমূল্য সময় নষ্ট করে দীর্ঘ শ্রমসাধ্য প্রবন্ধ উপহার দিয়ে পত্রিকার গুণগত মান বাড়িয়েছেন। পাছে 'ধন্যবাদ জানাই' শব্দটিই ওনাদের প্রতি অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সেই আশংকায় তার থেকে বিরত থাকা শ্রেয় মনে করলাম।
