আসলে এসবই তো ছবির বিষয়। শিল্প সাহিত্যের তথ্যভিত্তিক রচনা। আমার আর রাজনীতির কচকচানি ভালো লাগে না। বরং অনেক বেশী টানে সোজা সহজ জীবনবোধ ও তার ছবি। প্রতিদিনের পাতা। প্রকৃতির নিবিড়তা। মানুষের মধ্যে পারস্পরিকতা। ভালোলাগা দিনগুলি। আদ্যোপান্ত অন্যরকম জীবন স্পন্দন। কোনো একটি ফ্রেম-এর মধ্যে আবদ্ধ নেই। আছে পরপর তার সহাবস্থান। ফ্রেম তো সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়। এই ফ্রেম কখনও অ্যানিমেট হচ্ছে কখনও বা স্থির হচ্ছে। বিভিন্ন মাধ্যমের সাথে প্রকাশ ঘটছে। পরাবাস্তববাদ থেকে উত্তর আধুনিক যুগে নতুবা চীনের শিল্পকলায় তার প্রতিফলন ঘটেছে।
দৃষ্টিকোণগুলি কেবল আলাদা। আমি একটি কাজে গর্ভমেন্ট আর্ট কলেজে গেছি। বড় গাড়ীবারান্দা পার হয়ে বাঁদিকে সিঁড়ি উঠে গেছে। কাঠের সিঁড়ি। সম্পূর্ণ স্থাপত্যের সাথে উপনিবেশিক সংস্কৃতি ও স্থাপত্যের যোগাযোগ রয়েছে। সেই স্থাপত্যের সাথে সমকালীন একটা 'চ্যালেঞ্জ'। মনে জীবনবোধের ছবির সাথে ঔপনিবেশিক স্থাপত্য কেন? আসলে ৫০ কি.মি. দূরত্বে ছবিটা অন্যরকম। সেখানে জীবনবোধ অন্যরকম। এ অবস্থান আমি ফ্রান্সেও দেখেছি। সততা কেমন যেন বদলে যায়। লা ওয়েজ নদীর পারে অঁভ্যা সুঁর ওয়েজ অসাধারণ ছোট শহর। গ্রাম্য আবহাওয়া এখনও সেখানে আছে। মিউনিসিপালিটি কি সুন্দরভাবে সাজিয়ে রেখেছে পুরোনো আদলে।
অর্ন্তনিহিত শিল্পের ভাষা ও পারস্পরিকতা / আবেশবিভোর মিত্র
